বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
সংসদ হবে সব সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু : প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে র‍্যাব-১০ এর বিশেষ অভিযান: অস্ত্র, কার্তুজ ও বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ৪ জন গ্রেফতার মনোহরদীতে পুলিশের অভিযানে ২০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হারিয়ে যাওয়া ছয়টি পারমাণবিক বোমা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বিশ্বকাপ জয়ের উচ্ছ্বাসে রোহিতদের জন্য ১৭০ কোটি টাকা ঘোষণা আবাসিক হোটেল ও স্পার আড়ালে দেহ ও মাদকের গোপন সাম্রাজ্য সাধারণরা না পেলেও ঈদে কর্মকর্তারা পাবেন নতুন নোট ‘দানবীয় স্যার’ সাবেক মন্ত্রী তাজুলের উত্থান ও সাম্রাজ্যের নেপথ্যে হাইপারসনিক ছাড়াও তিন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান একই সেশনে অনার্স-মাস্টার্স: প্রশ্নবিদ্ধ সনদে বীমা কোম্পানির সিইও
রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা কামনায় প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা কামনায় প্রধানমন্ত্রী

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি)-এর সম্মেলনে রোহিঙ্গা ইস্যুটি তুলে ধরা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১২ দিনের সরকারি সফরের বিষয়ে দেশবাসীকে অবহিত করতে সংবাদ সম্মেলনে এসে তিনি একথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি মুসলিম দেশগুলোর শীর্ষ সংগঠন অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) ১৪তম মক্কা শীর্ষ সম্মেলনে রোহিঙ্গা বাস্তুহারাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা কামনাসহ মিয়ানমার থেকে নির্যাতিত হয়ে পালিয়ে আসা মুসলিম সংখ্যালঘু গোষ্ঠীটির অধিকার রক্ষায় করা মামলায় কারিগরি ও আর্থিক সমর্থন চেয়েছেন।

তিনি বলেন, ওআইসির নিজস্ব সমস্যাগুলো মোকাবেলা করার সক্ষমতা থাকা উচিত। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে নিজেদের সমস্যা নিজেরা মোকাবেলা করার এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহায়তায় উন্নয়নের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছার সমন্বিত ব্যবস্থা নিতে হবে। দুর্ভাগ্যের বিষয়, মুসলিম দেশগুলোর হাতে বেশির ভাগ প্রাকৃতিক সম্পদ ও বিস্তৃত এলাকার নিয়ন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তারা নিজেদের যেকোনো সমস্যা মোকাবেলায় কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারে না। এমনকি রোহিঙ্গার মতো একটি মুসলিম জাতি নিপীড়ন ও নিশ্চিহ্নের মুখে পড়ার পরও তেমন কিছু করতে পারেনি ওআইসি। নিজেদের সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছে। এ অবস্থায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদে ফিরিয়ে নিতে অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রতিশ্রুতি পূরণে মিয়ানমার গড়িমসি করছে। কিন্তু মুসলিম দেশগুলো এ বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছে না। এটি লজ্জারও বটে।

জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ব্যাপক গণহত্যা, নির্যাতন ও ধর্ষণের বিষয়টি উঠে এসেছে বিস্তারিতভাবে। জাতিসংঘের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং মিশনের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সে দেশে রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞ ও বিতাড়নে সেনাবাহিনীর সরাসরি সংশ্লিষ্টতা এবং দায়দায়িত্বের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এর আগে রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব প্রদান, আন্তর্জাতিক ত্রাণকর্মীদের মিয়ানমারে প্রবেশ ও কাজ করার সুযোগ, সর্বোপরি রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা প্রদান নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে সর্বসম্মত প্রস্তাব পাস হয়েছে জাতিসংঘে। আন্তর্জাতিক আদালতে তাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলা দায়েরের জন্য ব্যাপক জনমত সৃষ্টি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। যত দ্রুত তা বাস্তবায়ন এবং রোহিঙ্গারা সে দেশে পুনর্বাসিত হয় ততই মঙ্গল। ইসলামিক ঐক্য সংস্থা ওআইসির এক্ষেত্রে সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সমর্থনে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা করার সিদ্ধান্তটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক অগ্রগতি।

ভালো লাগলে নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2011-2025 VisionBangla24.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com